Wednesday, July 10, 2013



বদখেয়ালটা চাপলো আনারসকিনতে গিয়ে।আনারস দরাদরিকরার সময়সামনের ফুটপাতদিয়ে একস্কুল বালিকাতার মায়েরসাথে হেটেযাচ্ছিল। বালিকারবয়স ১৩-১৪ এরবেশী হবেনা। কিন্তুবালিকার স্কুলড্রেসের ভিওড়নার পাশদিয়ে অধরাকচি স্তনদুটো যেভাবেলাফাচ্ছিল হাটার ছন্দে আমার নিন্মাঙ্গতাৎক্ষনিকসাড়া নাদিয়ে পারলোনা। এরকমকচি স্তনবহুদিন দেখিনা। এতকাছ থেকে।বালিকার ভেতরেঅন্য কোনজামা নেই।কেন যেমেয়ের মাএত অবহেলাকরে এইকচি মেয়েগুলোরপোষাকে। একটাশেমিজ পরিয়েদিলেই স্তনদুটো এভাবেউকি দিতনা ওনারফাক দিয়ে।আর স্কুলেরড্রেস এমনভাবেতৈরী করাহয় যাতেবালিকাদের স্তনগুলো স্পষ্ট দেখা যায়।আমি পুরোনোঅভ্যেস এইবালিকাদের স্তন দেখতাম স্কুলে গেলেই।আমার প্রিয়দৃশ্য। আমারধোন এতলাফালাফি করেবাসায় এসেমাল ফেলেদেই খেচে।আজকের এইবালিকাটিকে দেখে অনেকদিন পর আমারকাম জেগেউঠলো। মেয়েটারলাফানো স্তনেরসাথে আমারধোনটা জাঙ্গিয়ারভেতর লাফাতেথাকে। এইমেয়ে যদিআমাদের বিল্ডিংএর হয়তাহলে আজকেইধরা চাই।মেয়ের মাআনারস কিনতেদাড়ালো। মেয়েওদাড়ালো। আমারচোরা চাহনীখেয়াল করেমেয়েটা বেরিয়েআসা স্তনদুটো সামালদিতে ব্যস্তহলো। একবারডান দিকেওড়না টানে।তখন বামস্তন বেরিয়েযায়। আবারবাম দিকেটানে, তখনডানস্তন বেরিয়েযায়। আমিস্তনের চোখাঅংশের উপরচোখ রাখলাম।ইশশশশ কতদিনওরকম একটাস্তনে মুখদেইনি। কমলারকিশোরী স্তনচুষেছি সেইকবে। আজএইটারে পাইলই। আমিআনারস হাতেবাসার দিকেএগোতে, মেয়েরমা মেয়েটাকেবললো, তুইযা, আমিপরে আসছি।আমি লিফটেঢুকতে গিয়েদেখি পেছনেবালিকা। কীভাগ্য। আমিলিফটে ঢুকেমেয়েটাকে জায়গা দিলাম। পাশে দাড়ালো।এবার একফুটদুরত্ব থেকেস্তন দুটোদাবিয়ে দেখছি।লিফটে আরকেউ নেই।


দরজা বন্ধহতেই আকামচিন্তা। ঝাপটেধরবো নাকি।মেয়েটা চিৎকার করবে।দুই সেকেন্ডেরদুধ টেপাএমন কি।ধরেই ফেলি।মেয়েটার ভয়ার্তচাহনি। এমনসময় দুমকরে কারেন্টচলে গেল।পুরো অন্ধকার।মেয়েটা ভয়েচীৎকারকরে উঠলে, আমি বললামভয় নাইখুকী, আমিআছি। জেনারেটরচালু হবেএখুনি। কিন্তুহলো না।আমরা আটকেরইলাম। মেয়েটাভয়ে কাপছে।আমি মেয়েটাকেকাছে টেনেজড়িয়ে ধরলামবললাম ভয়নেই আমিআছি। পিঠেহাত বুলিয়েদিচ্ছি আস্তেআস্তে। একমিনিট ওভাবেকাটলো। তারপরআমি সুযোগেসদ্ব্যব্যবহার করতে শুরু করলাম। বললাম, তোমার গরমলাগছে, তোমারব্যাগটা আমাকেদাও। ব্যাগনেয়ার উসিলায়ওর বুকেরঅংশে হাতবুলিয়ে নিলাম।তুলতুলে নরমস্তন। তবেভেতরের মাংসটাইট। আহকি কচিমাংস। আমিভয় পেয়োনা বলেমেয়েটাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে হাতদুটো চালিয়েদিলাম ওড়নারনীচে। খপকরে ধরেফেললাম। নরমতুলতুলে স্তন।আসলেই ভেতরেকিছু পরেনাই। পাতলাজামাটা। কীবেখেয়াল মেয়েরমা। আমিস্তন কচলাতেশুরু করতেইমেয়েটা মোচড়াতেশুরু করলো।কিন্তু আমিজোর করেধরে রাখলাম।বললাম, নড়লেব্যাথা পাবে।আমি তোখারাপ কিছুকরছি না।তোমার বুকটামেসেজ করেদিচ্ছি। ভয়েহার্ট এটাকহয় অনেকসময়। কিন্তুমেয়েটা বুঝলোআমার বদউদ্দেশ্য। সে নড়তেই থাকলো। কিন্তুআমি তোনাছোড়বান্দা। এই সুযোগ জীবনে পাবোনা আর।এবার কামিজেরনীচ দিয়েইহাত ঢুকিয়েসরাসরি স্তনেহাত দিলাম।ওহ কীসুখ। চোখানব্য গজানোবোটা। আমিবোটায় আঙুলদিয়ে চটকেদিলাম। ওমাএটাতে মেয়েথেমে গেল।বুঝলাম মেয়েরকাম জাগছে।আরেকটু একইকায়দা করলাম।মেয়ে আরোনরম। এবারআমার গায়েঢলে পড়লো।আমি ওরঠোটে চুমুখেলাম। কানেকানে বললাম, কেউ জানবেনা, তোমাকেচুষে দেবো? মেয়ে নিমরাজি, চুপ করেথাকলো। আমিকামিজ উপরেতুলে অন্ধকারেমুখটা আন্দাজেনিয়ে গেলামস্তনের দিকে।বোটাটা মুখেনিলাম। গরমওটা। তুলতুলেগরম। খাড়াচোখা একটুশক্ত মত।মুখে নিতেইপিছলে যেতেথাকে। আমিআবারো মুখডোবাই। স্তনটাকিন্তু বাইরেথেকে যতবড় দেখাযায় তারচেয়ে অনেকবড়। আমিগাই বাছুরেরমতো চুষতেথাকি গোত্তাদিয়ে দিয়ে।এবার অন্যহাতটা চালানকরে দেইসালোয়ারের ভেতর। সরাসরি হাত দিয়েবসি সোনায়।বাল ওঠেনি।ওটাও তুলতুলে।ছিদ্র খোজকরি। পেয়েওযাই। আঙুলদিতে গেলেমেয়েটা গুঙিয়েওঠে। তবুএকটা আঙুলদিয়ে ভেজাভেজা সোদাযোনীছিদ্রে আদর দিতে থাকি। সুযোগবারবার নাওআসতে পারে।সেকেন্ডের মধ্যে সালোয়ারের ফিতা খুলেওর দুইরান ধরেবসে পড়ি।মুখটাকে নিয়েযাই যোনীদেশেরমাঝবরাবর। মুখ বসাই ওখানে। প্রায়মিনিটখানেক রাম চোষা দিয়ে মেয়েটারকাম মাথায়তুলে দিয়েউঠে দাড়াই।সালোয়ারের ফিতা লাগিয়ে দেই। আমারকাজ শেষ।এবার সবকিছুঅটোমেটিক্যালী হবে। লিফটে বাতি জ্বলেউঠলো তখুনি।আমি ওরলাল হওয়াঘর্মাক্ত চোখমুখ দেখলাম।তার চেয়েওবেশী যেটাদেখা গেলতা হলোকাম। এইবালিকার ভেতরেআমি কামজাগিয়ে দিয়েছি।মেয়েটা আমাকেজড়িয়ে ধরলো।আমি বললাম, এখন না।পরে অন্যসময়। মেয়েটাসম্মত হলো।লিফট ১২তলায় পোছালেমেয়েটা নেমেগেল। ইশারায়দেখালো বাসাকোনটা। আমিদেখলাম। আমিনিতান্ত নিরীহভদ্রলোক এখন।সময় করেএকদিন চুদবোওকে। এখনবাসায় গিয়েহাত মেরেমাল পরিষ্কারকরতে হবে।শালী খাসামাল একটা।দুধ চোষারমজাটা এখনোমুখে লেগেআছে।

কচি দুধ চুষলাম



বদখেয়ালটা চাপলো আনারসকিনতে গিয়ে।আনারস দরাদরিকরার সময়সামনের ফুটপাতদিয়ে একস্কুল বালিকাতার মায়েরসাথে হেটেযাচ্ছিল। বালিকারবয়স ১৩-১৪ এরবেশী হবেনা। কিন্তুবালিকার স্কুলড্রেসের ভিওড়নার পাশদিয়ে অধরাকচি স্তনদুটো যেভাবেলাফাচ্ছিল হাটার ছন্দে আমার নিন্মাঙ্গতাৎক্ষনিকসাড়া নাদিয়ে পারলোনা। এরকমকচি স্তনবহুদিন দেখিনা। এতকাছ থেকে।বালিকার ভেতরেঅন্য কোনজামা নেই।কেন যেমেয়ের মাএত অবহেলাকরে এইকচি মেয়েগুলোরপোষাকে। একটাশেমিজ পরিয়েদিলেই স্তনদুটো এভাবেউকি দিতনা ওনারফাক দিয়ে।আর স্কুলেরড্রেস এমনভাবেতৈরী করাহয় যাতেবালিকাদের স্তনগুলো স্পষ্ট দেখা যায়।আমি পুরোনোঅভ্যেস এইবালিকাদের স্তন দেখতাম স্কুলে গেলেই।আমার প্রিয়দৃশ্য। আমারধোন এতলাফালাফি করেবাসায় এসেমাল ফেলেদেই খেচে।আজকের এইবালিকাটিকে দেখে অনেকদিন পর আমারকাম জেগেউঠলো। মেয়েটারলাফানো স্তনেরসাথে আমারধোনটা জাঙ্গিয়ারভেতর লাফাতেথাকে। এইমেয়ে যদিআমাদের বিল্ডিংএর হয়তাহলে আজকেইধরা চাই।মেয়ের মাআনারস কিনতেদাড়ালো। মেয়েওদাড়ালো। আমারচোরা চাহনীখেয়াল করেমেয়েটা বেরিয়েআসা স্তনদুটো সামালদিতে ব্যস্তহলো। একবারডান দিকেওড়না টানে।তখন বামস্তন বেরিয়েযায়। আবারবাম দিকেটানে, তখনডানস্তন বেরিয়েযায়। আমিস্তনের চোখাঅংশের উপরচোখ রাখলাম।ইশশশশ কতদিনওরকম একটাস্তনে মুখদেইনি। কমলারকিশোরী স্তনচুষেছি সেইকবে। আজএইটারে পাইলই। আমিআনারস হাতেবাসার দিকেএগোতে, মেয়েরমা মেয়েটাকেবললো, তুইযা, আমিপরে আসছি।আমি লিফটেঢুকতে গিয়েদেখি পেছনেবালিকা। কীভাগ্য। আমিলিফটে ঢুকেমেয়েটাকে জায়গা দিলাম। পাশে দাড়ালো।এবার একফুটদুরত্ব থেকেস্তন দুটোদাবিয়ে দেখছি।লিফটে আরকেউ নেই।


দরজা বন্ধহতেই আকামচিন্তা। ঝাপটেধরবো নাকি।মেয়েটা চিৎকার করবে।দুই সেকেন্ডেরদুধ টেপাএমন কি।ধরেই ফেলি।মেয়েটার ভয়ার্তচাহনি। এমনসময় দুমকরে কারেন্টচলে গেল।পুরো অন্ধকার।মেয়েটা ভয়েচীৎকারকরে উঠলে, আমি বললামভয় নাইখুকী, আমিআছি। জেনারেটরচালু হবেএখুনি। কিন্তুহলো না।আমরা আটকেরইলাম। মেয়েটাভয়ে কাপছে।আমি মেয়েটাকেকাছে টেনেজড়িয়ে ধরলামবললাম ভয়নেই আমিআছি। পিঠেহাত বুলিয়েদিচ্ছি আস্তেআস্তে। একমিনিট ওভাবেকাটলো। তারপরআমি সুযোগেসদ্ব্যব্যবহার করতে শুরু করলাম। বললাম, তোমার গরমলাগছে, তোমারব্যাগটা আমাকেদাও। ব্যাগনেয়ার উসিলায়ওর বুকেরঅংশে হাতবুলিয়ে নিলাম।তুলতুলে নরমস্তন। তবেভেতরের মাংসটাইট। আহকি কচিমাংস। আমিভয় পেয়োনা বলেমেয়েটাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে হাতদুটো চালিয়েদিলাম ওড়নারনীচে। খপকরে ধরেফেললাম। নরমতুলতুলে স্তন।আসলেই ভেতরেকিছু পরেনাই। পাতলাজামাটা। কীবেখেয়াল মেয়েরমা। আমিস্তন কচলাতেশুরু করতেইমেয়েটা মোচড়াতেশুরু করলো।কিন্তু আমিজোর করেধরে রাখলাম।বললাম, নড়লেব্যাথা পাবে।আমি তোখারাপ কিছুকরছি না।তোমার বুকটামেসেজ করেদিচ্ছি। ভয়েহার্ট এটাকহয় অনেকসময়। কিন্তুমেয়েটা বুঝলোআমার বদউদ্দেশ্য। সে নড়তেই থাকলো। কিন্তুআমি তোনাছোড়বান্দা। এই সুযোগ জীবনে পাবোনা আর।এবার কামিজেরনীচ দিয়েইহাত ঢুকিয়েসরাসরি স্তনেহাত দিলাম।ওহ কীসুখ। চোখানব্য গজানোবোটা। আমিবোটায় আঙুলদিয়ে চটকেদিলাম। ওমাএটাতে মেয়েথেমে গেল।বুঝলাম মেয়েরকাম জাগছে।আরেকটু একইকায়দা করলাম।মেয়ে আরোনরম। এবারআমার গায়েঢলে পড়লো।আমি ওরঠোটে চুমুখেলাম। কানেকানে বললাম, কেউ জানবেনা, তোমাকেচুষে দেবো? মেয়ে নিমরাজি, চুপ করেথাকলো। আমিকামিজ উপরেতুলে অন্ধকারেমুখটা আন্দাজেনিয়ে গেলামস্তনের দিকে।বোটাটা মুখেনিলাম। গরমওটা। তুলতুলেগরম। খাড়াচোখা একটুশক্ত মত।মুখে নিতেইপিছলে যেতেথাকে। আমিআবারো মুখডোবাই। স্তনটাকিন্তু বাইরেথেকে যতবড় দেখাযায় তারচেয়ে অনেকবড়। আমিগাই বাছুরেরমতো চুষতেথাকি গোত্তাদিয়ে দিয়ে।এবার অন্যহাতটা চালানকরে দেইসালোয়ারের ভেতর। সরাসরি হাত দিয়েবসি সোনায়।বাল ওঠেনি।ওটাও তুলতুলে।ছিদ্র খোজকরি। পেয়েওযাই। আঙুলদিতে গেলেমেয়েটা গুঙিয়েওঠে। তবুএকটা আঙুলদিয়ে ভেজাভেজা সোদাযোনীছিদ্রে আদর দিতে থাকি। সুযোগবারবার নাওআসতে পারে।সেকেন্ডের মধ্যে সালোয়ারের ফিতা খুলেওর দুইরান ধরেবসে পড়ি।মুখটাকে নিয়েযাই যোনীদেশেরমাঝবরাবর। মুখ বসাই ওখানে। প্রায়মিনিটখানেক রাম চোষা দিয়ে মেয়েটারকাম মাথায়তুলে দিয়েউঠে দাড়াই।সালোয়ারের ফিতা লাগিয়ে দেই। আমারকাজ শেষ।এবার সবকিছুঅটোমেটিক্যালী হবে। লিফটে বাতি জ্বলেউঠলো তখুনি।আমি ওরলাল হওয়াঘর্মাক্ত চোখমুখ দেখলাম।তার চেয়েওবেশী যেটাদেখা গেলতা হলোকাম। এইবালিকার ভেতরেআমি কামজাগিয়ে দিয়েছি।মেয়েটা আমাকেজড়িয়ে ধরলো।আমি বললাম, এখন না।পরে অন্যসময়। মেয়েটাসম্মত হলো।লিফট ১২তলায় পোছালেমেয়েটা নেমেগেল। ইশারায়দেখালো বাসাকোনটা। আমিদেখলাম। আমিনিতান্ত নিরীহভদ্রলোক এখন।সময় করেএকদিন চুদবোওকে। এখনবাসায় গিয়েহাত মেরেমাল পরিষ্কারকরতে হবে।শালী খাসামাল একটা।দুধ চোষারমজাটা এখনোমুখে লেগেআছে।

সেসময় উত্তরায় এত বড় বড় বিল্ডিং ওঠেনি। আমাদের ব্লকে যেমন অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের তিনতলাটা বড় বিল্ডিং ছিল। লোকে জমি কিনে দেয়াল তুলে ডোবা বানিয়ে রাখত। যতদুর মনে পড়ে এই ব্লকে তিথীরাই প্রথম ছয়তলা বিল্ডিং তুলেছিল। তখনও ওদের আর আমাদের মাঝে জংলা ডোবা। এখন আর এসবের কিছু অস্তিত্ব নেই, সব ভরে গেছে দালানে। এইচএসসি (ইন্টারমিডিয়েট) পরীক্ষার সময়ের কথা। পরীক্ষার মাস কয়েক আগে থেকে একরকম স্বেচ্ছায়

 গৃহবন্দী আমি। সপ্তাহে চারদিন পুরোপুরি বাসায়, বাকী তিনদিন সকালে স্যারের বাসায় টেস্ট দিয়ে এসে আবার বাসায়। আম্মা সারাদিন পাহাড়া দিয়ে রাখে পড়ি কি না। বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এমন যে এখানে টিনএজ ছেলেদের ইমোশনাল আউটলেট বলতে কিছু নেই। যে বয়সে মন চায় বিশ্বজয়ে বেরিয়ে পড়তে, বান্ধবীর জন্য নীলপদ্ম খুজে আনতে সে বয়সে অভিভাবকের দল ছেলে আর মেয়েদের মধ্যে পাহাড়সমান দেয়াল তুলে রাখে। আমি এই ফ্রাস্ট্রেশনের সাথে ভালমতই পরিচিত। কখনও হাত মেরে, কখনও চটি পড়ে আর সুযোগ পেলে ব্লু ফ্লিল্ম দেখে যৌনতা এবং নারীকুল সমন্ধে বিকৃত ধারনা নিয়ে বড় হয়। আর যাদের সে সুযোগও নেই তারা জঙ্গীদলে নাম লেখায়। আমি নিশ্চিত দেশে যদি সর্বস্তরে কো এডুকেশন চালু করা হয় জঙ্গী রিক্রুটমেন্ট মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।
তবে সেবার পরীক্ষার আগে আমার ভাগ্য খুলে গেল। একদিন বাসায় সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, আমি ফিজিক্স বই কোলে নিয়ে ডিশওয়ালার মিডনাইট চ্যানেলে চোদাচুদি দেখছি আর বইয়ের পাতা ওল্টাচ্ছি, চোখ গেল ডোবা পার হয়ে পাশের বিল্ডিঙে। তিনতলার জানালায় আগাগোড়া ভারী পর্দা টানানো থাকে, কোন মানুষজন চোখে পড়ে নি আগে। আজই প্রথম দেখছি একটা মেয়ে জানালার পাশে দাড়িয়ে মনে হয় আমাদের বিল্ডিং এ কিছু দেখছে। নারীতৃষ্ঞায় আক্রান্ত আমি টিভি বাদ দিয়ে জানালার কাছে গেলাম। মেয়েটা নিশ্চিত আমাকে দেখেছে। সে ঘুরে ভেতরে চলে গেল। আমি ফিরে এসে সোফায় বসেছি মাত্র মেয়েটা আবার হাজির। উঠে গেলাম আমি জানালার পাশে, এবারও মেয়েটা চলে গেল। এরকম চারপাচবার হলো, আমি গেলেই চলে যায়, কিন্তু আবার ফিরে আসে। হোয়াট দা হেল। ইয়ার্কি নাকি। আমি মাথা নীচু করে জানালার কাছে গিয়ে শুধু হাত উচু করে নানা অঙ্গভঙ্গি করলাম কিছুক্ষন। প্রথমে ও চুপচাপ দাড়িয়ে দেখল, তারপর দেখি মেয়েটাও তারমত করে হাত পা নাড়ছে। সে রাতে ঘন্টা খানেক নির্বাক ভাব বিনিময় চললো। এরপরে দু তিন দিন দেখা নেই। আমি তবু চোখ রাখি। আগেরবারের মত আবার একদিন বিনা ঘোষনায় সে হাজির। ভাব বিনিময় চললো। ৪/৫ দিন এরকম হওয়ার পর অবধারিত ভাবে মিনিংফুল ডাটা এক্সচেঞ্জ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। কিন্তু এত রাতে তো চিতকার দেয়া সম্ভব না। একটা বালিশ নিয়ে এসে আলিঙ্গন করে আমার ভালোবাসা প্রকাশের চেষ্টা চললো। ও দেখাদেখি ঢাউশ সাইজের একটা কোলবালিশ নিয়ে এসে জড়িয়ে ধরে চুমু দিয়ে উত্তর দিল।মোল্লা মার্কা দেশে আর কি করা, এখানে বাপ বেটা মিলে সারারাত কাজের মেয়ে ধর্ষন বৈধ, কারো উচ্চবাচ্য শোনা যায় না অথচ সতের বছরের একজোড়া ছেলেমেয়ে ফোনে কথা বললে আব্বাজানদের নুনু চুলকানী শুরু হয়।
ভালই চলছিল এভাবে, সারাদিন পড়াশোনা আর আম্মার চাপে রাতের অভিসারের আশায় বসে থাকতাম। একদিন স্যারের বাসা থেকে ফেরার পথে দিনের বেলা তিনতলার বারান্দায় মেয়েটাকে দেখলাম। আমার বয়সীই হবে। মেয়েটাও আমার দিকে চেয়ে আছে। আমি ওকে দেখিয়ে বাসায় ঢুকলাম, বাসায় ফিরেই জানালার কাছে গিয়ে ওকেও জানালায় দেখে নিশ্চিত হলাম এই মেয়েই রাতের মেয়ে। দেখতে দেখতে পরীক্ষা চলে এল। উত্তরা থেকে ফার্মগেট আমার সেন্টারে যেতে ঘন্টা খানেক আগে রওনা দিতে হতো। বেবী বা ক্যাবের আশায় আম্মা আর আমি দাড়িয়ে আছি, একটা মেয়ে আর তার মাও দেখি যানবাহনের আশায় দাড়ানো। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়েটা ঘুরে আমাদের দিকে তাকালো, আমার গার্লফ্রেন্ডকে মুহুর্তেই চিনে ফেললাম। হু, সেও তাহলে পরীক্ষা দিচ্ছে। মেয়েটা আমাকে দেখে খুব সাবধানে মুচকি হেসে নিল। আম্মার সাথে ওর মা’র পরিচয় হতে সময় লাগলো না। নাম জানলাম তিথী। হলিক্রসের ছাত্রী। আম্মাদের জোরাজুরিতে আমরাও পরিচিত হলাম। আমি খুব কষ্টে হাসি চেপে রেখে বললাম,
- তোমার পরীক্ষা কেমন হচ্ছে
- মোটামুটি, তোমার?
- ভালই হচ্ছে, কেমিস্ট্রিটা একটু খারাপ হয়েছে
- আমি তো ম্যাথে ধরা খেয়ে গেছি
আম্মারা গল্প করে, আমরা অল্প কথা বলি। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর রাত জাগি কম, ওর সাথে জানালায় দেখাও হয় না। পরীক্ষা এক সময় শেষ হয়ে গেল। কোচিং এ ভর্তি হলাম। প্রচুর মেয়ে এখানে। তিথীর কথা একরকম ভুলেই গেলাম। আম্মা আর তিথীর আম্মার মধ্যে অবশ্য বেশ খাতির চলছিল।
একদিন প্রিমিয়াম বাসে করে ফার্মগেট যাচ্ছি, আমার কলেজের বন্ধু সুমিত আর আমি এক সীটে। সামনে একটা বাচ্চা বমি করে বাস ভাসাচ্ছে। বাচ্চাটার মা আর তার পাশে একটা মেয়ে বসা ছিল ওরা বাধ্য হয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে যাচ্ছিল। মেয়েটার চেহারা দেখতে পাচ্ছি না যাস্ট পাছাটা আর অবয়বটা দেখা যাচ্ছে। সুমিত ফিসফিস করে বললো, পাছাটা দেখেছিস, চেটে দিতে মন চায়
আমি বললাম, পাছার দিকে টান নেই, দুধ দুটো প্রপোরশনাল হবে নিশ্চয়ই, ওগুলো ধরতে পারলে ধন্য হয়ে যেতাম
আমি কথা শেষ করেছি কি করিনি, মেয়েটা ঘুরে তাকালো। তিথী। তারপর কিছু না বলে মুখ ঘুরিয়ে নিল। পাথর হয়ে জমে গেলাম আমি।
আমি বোঝার চেষ্টা করছি আমাদের ফিসফিস তো এতদুরে শুনতে পাওয়ার কারন নেই। বাস ভর্তি লোক, ও শুনতে পেলে অন্যরাও নিশ্চয়ই শুনেছে, এতক্ষনে গনধোলাই খাওয়ার কথা।
অস্বস্তিভরা মন নিয়ে ফিরে এলাম সেদিন। বাসায় নালিশ চলে আসে কি না। নালিশ না আসলেও তিথী শুনে থাকলে খুব খারাপ হবে। মেয়েটার সাথে চমৎকার সময় গিয়েছে প্রায় দুমাস। আমি সাধারনত মেয়েদের নিয়ে এধরনের মন্তব্য বলি না। কেন যে বলতে গেলাম। এই সুমিতের দোষ। সে একটা কথা বলে আমার মুখ থেকে কথাটা বের করে নিল। কয়েক সপ্তাহ হয়ে গেল, নালিশ এল না, আমি একরকম ধরে নিলাম ও আসলে আমার মন্তব্য শোনে নি, ঘটনাচক্রে ঐ সময় কেবল পিছনে তাকিয়েছিল।
আম্মা প্রতিবছর একটা বিরক্তিকর কাজ করতো, সেটা হলো ঘটা করে বুড়ো বয়সে আমার জন্মদিনের অনুষ্ঠান। এবছরও সেটা হলো। ঘরভর্তি মোস্টলী বাচ্চা কাচ্চাদের মধ্যে একগাদা মোমবাতি নিয়ে আমার কেক। একটা ইচড়ে পাকা ছেলে মোম গুনে আমার বয়স চিতকার করে বলে দিচ্ছে। কেক টেক কেটে নিজের রুমে ঢুকবো, দরজায় নক পড়লো। দরজা খুলে দেখি তিথী আর তার মা, ওর হাতে ইয়া বড় একটা ফুলের তোড়া। তিথীকে দেখে একটু লজ্জায় মুড়ে গেলাম। টুকটাক কথা বলে রুমে চলে এলাম। মেয়েটা সুন্দর হয়েছে আরো, হয়তো পড়াশোনার চাপ নেই চেহারার যত্ন করছে।
রুমের দরজায় টোকা শুনে বললাম
- খোলাই আছে
দরজা ঠেলে তিথী ঢুকলো। হাতে সেই ফুলের তোড়া।
- এটা মা দিয়েছে তোমাকে
তারপর দরজাটা চেপে দিয়ে ও দরজায় হেলান দিয়ে বললো, আর আমি তোমার জন্য এনেছি এই দুটো
আমি ঢোক গিলে বললাম, মানে?
- এই যে এই দুটো, এগুলো ধরতে পারলে নাকি তোমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে? তাহলে ধরো
আমার মুখ দিয়ে শব্দ বের হলো না। স্বপ্ন না সত্যি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি। ও বললো, সময় নেই কেউ এসে যাবে। এই বলে ও ট্যাংক টপের ওপরটা নামিয়ে ফেললো। নীচে শুধু একটা ব্রা পড়া। বললো, কাছে আসো
আমার তখন এড্রেনালীন রাশ চলছে। ঢোক গিলে হার্ট টা গলা থেকে নীচে নামানোর চেষ্টা করছি। আমি চেয়ার থেকে উঠে ওর সামনে গেলাম। খুব দ্রুত বের করার চেষ্টা করছি কি দিয়ে শুরু করা উচিত। তারপর ওর কাছে গিয়ে কপালে একটা চুমু দিলাম। ও বললো, এগুলো ধরো, অনেকদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি, না ধরলে মাইন্ড করবো।
আমি দু হাত দিয়ে দুটো দুধ ব্রার ওপর দিয়ে চাপ দিলাম। দুধগুলো বেশ বড়। যারা ১৮/১৯ বছরের মেয়েদের বড় দুধ ধরেছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন, বয়স্ক বা বাচ্চা হওয়া মহিলাদের বড় দুধের চেয়ে এগুলো আলাদা। তিথী বললো, আচ্ছা এটা তুলে দেই। বলে সে ব্রা টা তুলে দুধগুলোকে মুক্ত করে দিল। অর্ধ গোলাকৃতি ক্রিকেট বলের মত দুটো দুধ গায়ের সাথে লেগে আছে। মোটা মোটা দুটো বোটার মাথায় ফুটে থাকা ছিদ্র দেখতে পাচ্ছি। বোটার গোড়াতে লোমকুপগুলো ফুলে আছে। আমি বললাম, মুখ লাগাবো?
- উহু। শুধু হাত দিয়ে ধরো।
আমি দু হাত দিয়ে আস্তে করে ধরলাম, দুধগুলো আমার হাতের মুঠোর চেয়ে বড়, এক দুধ ধরতে দু হাত লাগবে। এত নরম যেন ভেতরটা মনে হয় তুলো দিয়ে ভরে রাখা। তিথী চোখ বুজে আছে। পালা করে দুধগুলো দলা মোচড়া করছি, বোটাগুলোতে হাতের তালু ঘষছি, তিথী বললো, আচ্ছা ঠিক আছে মুখ দাও
আমি অনুমতি পেয়ে একটা বোটা মুখে দিলাম। শিশু হয়ে যেতে মন চাইছে। দুই ঠোট দিয়ে চেপে ধরে অল্প করে চুষে দিচ্ছি, তিথী মুখ দিয়ে হাল্কা আআহ, উউফ শব্দ করলো। ভালোমতো খেয়েছি কি খাইনি, আম্মা বাইরে থেকে ডাক দিল, তানিম বাইরে আয়, ফটো তোলার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
তিথী তাড়াতাড়ি চোখ মেলে তাকাল। ব্রা পড়ে জামাটা ঠিক করে একটু হেসে নিয়ে দ্রুত আমার নাকে একটা চুমু দিল। তারপর বললো, আহ, আবার লিপস্টিক লেগে গেল, দাও মুছে দেই।
মনে করে সেদিন তিথীরা যাওয়ার আগে সেল ফোন নাম্বার বিনিময় করে নিলাম। রাতে অডিও ভিজুয়াল সেশন চলবে, নির্বাক যুগ থেকে সবাক যুগে ঢুকতে যাচ্ছি।

তিথী


সেসময় উত্তরায় এত বড় বড় বিল্ডিং ওঠেনি। আমাদের ব্লকে যেমন অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের তিনতলাটা বড় বিল্ডিং ছিল। লোকে জমি কিনে দেয়াল তুলে ডোবা বানিয়ে রাখত। যতদুর মনে পড়ে এই ব্লকে তিথীরাই প্রথম ছয়তলা বিল্ডিং তুলেছিল। তখনও ওদের আর আমাদের মাঝে জংলা ডোবা। এখন আর এসবের কিছু অস্তিত্ব নেই, সব ভরে গেছে দালানে। এইচএসসি (ইন্টারমিডিয়েট) পরীক্ষার সময়ের কথা। পরীক্ষার মাস কয়েক আগে থেকে একরকম স্বেচ্ছায়

 গৃহবন্দী আমি। সপ্তাহে চারদিন পুরোপুরি বাসায়, বাকী তিনদিন সকালে স্যারের বাসায় টেস্ট দিয়ে এসে আবার বাসায়। আম্মা সারাদিন পাহাড়া দিয়ে রাখে পড়ি কি না। বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এমন যে এখানে টিনএজ ছেলেদের ইমোশনাল আউটলেট বলতে কিছু নেই। যে বয়সে মন চায় বিশ্বজয়ে বেরিয়ে পড়তে, বান্ধবীর জন্য নীলপদ্ম খুজে আনতে সে বয়সে অভিভাবকের দল ছেলে আর মেয়েদের মধ্যে পাহাড়সমান দেয়াল তুলে রাখে। আমি এই ফ্রাস্ট্রেশনের সাথে ভালমতই পরিচিত। কখনও হাত মেরে, কখনও চটি পড়ে আর সুযোগ পেলে ব্লু ফ্লিল্ম দেখে যৌনতা এবং নারীকুল সমন্ধে বিকৃত ধারনা নিয়ে বড় হয়। আর যাদের সে সুযোগও নেই তারা জঙ্গীদলে নাম লেখায়। আমি নিশ্চিত দেশে যদি সর্বস্তরে কো এডুকেশন চালু করা হয় জঙ্গী রিক্রুটমেন্ট মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।
তবে সেবার পরীক্ষার আগে আমার ভাগ্য খুলে গেল। একদিন বাসায় সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, আমি ফিজিক্স বই কোলে নিয়ে ডিশওয়ালার মিডনাইট চ্যানেলে চোদাচুদি দেখছি আর বইয়ের পাতা ওল্টাচ্ছি, চোখ গেল ডোবা পার হয়ে পাশের বিল্ডিঙে। তিনতলার জানালায় আগাগোড়া ভারী পর্দা টানানো থাকে, কোন মানুষজন চোখে পড়ে নি আগে। আজই প্রথম দেখছি একটা মেয়ে জানালার পাশে দাড়িয়ে মনে হয় আমাদের বিল্ডিং এ কিছু দেখছে। নারীতৃষ্ঞায় আক্রান্ত আমি টিভি বাদ দিয়ে জানালার কাছে গেলাম। মেয়েটা নিশ্চিত আমাকে দেখেছে। সে ঘুরে ভেতরে চলে গেল। আমি ফিরে এসে সোফায় বসেছি মাত্র মেয়েটা আবার হাজির। উঠে গেলাম আমি জানালার পাশে, এবারও মেয়েটা চলে গেল। এরকম চারপাচবার হলো, আমি গেলেই চলে যায়, কিন্তু আবার ফিরে আসে। হোয়াট দা হেল। ইয়ার্কি নাকি। আমি মাথা নীচু করে জানালার কাছে গিয়ে শুধু হাত উচু করে নানা অঙ্গভঙ্গি করলাম কিছুক্ষন। প্রথমে ও চুপচাপ দাড়িয়ে দেখল, তারপর দেখি মেয়েটাও তারমত করে হাত পা নাড়ছে। সে রাতে ঘন্টা খানেক নির্বাক ভাব বিনিময় চললো। এরপরে দু তিন দিন দেখা নেই। আমি তবু চোখ রাখি। আগেরবারের মত আবার একদিন বিনা ঘোষনায় সে হাজির। ভাব বিনিময় চললো। ৪/৫ দিন এরকম হওয়ার পর অবধারিত ভাবে মিনিংফুল ডাটা এক্সচেঞ্জ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। কিন্তু এত রাতে তো চিতকার দেয়া সম্ভব না। একটা বালিশ নিয়ে এসে আলিঙ্গন করে আমার ভালোবাসা প্রকাশের চেষ্টা চললো। ও দেখাদেখি ঢাউশ সাইজের একটা কোলবালিশ নিয়ে এসে জড়িয়ে ধরে চুমু দিয়ে উত্তর দিল।মোল্লা মার্কা দেশে আর কি করা, এখানে বাপ বেটা মিলে সারারাত কাজের মেয়ে ধর্ষন বৈধ, কারো উচ্চবাচ্য শোনা যায় না অথচ সতের বছরের একজোড়া ছেলেমেয়ে ফোনে কথা বললে আব্বাজানদের নুনু চুলকানী শুরু হয়।
ভালই চলছিল এভাবে, সারাদিন পড়াশোনা আর আম্মার চাপে রাতের অভিসারের আশায় বসে থাকতাম। একদিন স্যারের বাসা থেকে ফেরার পথে দিনের বেলা তিনতলার বারান্দায় মেয়েটাকে দেখলাম। আমার বয়সীই হবে। মেয়েটাও আমার দিকে চেয়ে আছে। আমি ওকে দেখিয়ে বাসায় ঢুকলাম, বাসায় ফিরেই জানালার কাছে গিয়ে ওকেও জানালায় দেখে নিশ্চিত হলাম এই মেয়েই রাতের মেয়ে। দেখতে দেখতে পরীক্ষা চলে এল। উত্তরা থেকে ফার্মগেট আমার সেন্টারে যেতে ঘন্টা খানেক আগে রওনা দিতে হতো। বেবী বা ক্যাবের আশায় আম্মা আর আমি দাড়িয়ে আছি, একটা মেয়ে আর তার মাও দেখি যানবাহনের আশায় দাড়ানো। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়েটা ঘুরে আমাদের দিকে তাকালো, আমার গার্লফ্রেন্ডকে মুহুর্তেই চিনে ফেললাম। হু, সেও তাহলে পরীক্ষা দিচ্ছে। মেয়েটা আমাকে দেখে খুব সাবধানে মুচকি হেসে নিল। আম্মার সাথে ওর মা’র পরিচয় হতে সময় লাগলো না। নাম জানলাম তিথী। হলিক্রসের ছাত্রী। আম্মাদের জোরাজুরিতে আমরাও পরিচিত হলাম। আমি খুব কষ্টে হাসি চেপে রেখে বললাম,
- তোমার পরীক্ষা কেমন হচ্ছে
- মোটামুটি, তোমার?
- ভালই হচ্ছে, কেমিস্ট্রিটা একটু খারাপ হয়েছে
- আমি তো ম্যাথে ধরা খেয়ে গেছি
আম্মারা গল্প করে, আমরা অল্প কথা বলি। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর রাত জাগি কম, ওর সাথে জানালায় দেখাও হয় না। পরীক্ষা এক সময় শেষ হয়ে গেল। কোচিং এ ভর্তি হলাম। প্রচুর মেয়ে এখানে। তিথীর কথা একরকম ভুলেই গেলাম। আম্মা আর তিথীর আম্মার মধ্যে অবশ্য বেশ খাতির চলছিল।
একদিন প্রিমিয়াম বাসে করে ফার্মগেট যাচ্ছি, আমার কলেজের বন্ধু সুমিত আর আমি এক সীটে। সামনে একটা বাচ্চা বমি করে বাস ভাসাচ্ছে। বাচ্চাটার মা আর তার পাশে একটা মেয়ে বসা ছিল ওরা বাধ্য হয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে যাচ্ছিল। মেয়েটার চেহারা দেখতে পাচ্ছি না যাস্ট পাছাটা আর অবয়বটা দেখা যাচ্ছে। সুমিত ফিসফিস করে বললো, পাছাটা দেখেছিস, চেটে দিতে মন চায়
আমি বললাম, পাছার দিকে টান নেই, দুধ দুটো প্রপোরশনাল হবে নিশ্চয়ই, ওগুলো ধরতে পারলে ধন্য হয়ে যেতাম
আমি কথা শেষ করেছি কি করিনি, মেয়েটা ঘুরে তাকালো। তিথী। তারপর কিছু না বলে মুখ ঘুরিয়ে নিল। পাথর হয়ে জমে গেলাম আমি।
আমি বোঝার চেষ্টা করছি আমাদের ফিসফিস তো এতদুরে শুনতে পাওয়ার কারন নেই। বাস ভর্তি লোক, ও শুনতে পেলে অন্যরাও নিশ্চয়ই শুনেছে, এতক্ষনে গনধোলাই খাওয়ার কথা।
অস্বস্তিভরা মন নিয়ে ফিরে এলাম সেদিন। বাসায় নালিশ চলে আসে কি না। নালিশ না আসলেও তিথী শুনে থাকলে খুব খারাপ হবে। মেয়েটার সাথে চমৎকার সময় গিয়েছে প্রায় দুমাস। আমি সাধারনত মেয়েদের নিয়ে এধরনের মন্তব্য বলি না। কেন যে বলতে গেলাম। এই সুমিতের দোষ। সে একটা কথা বলে আমার মুখ থেকে কথাটা বের করে নিল। কয়েক সপ্তাহ হয়ে গেল, নালিশ এল না, আমি একরকম ধরে নিলাম ও আসলে আমার মন্তব্য শোনে নি, ঘটনাচক্রে ঐ সময় কেবল পিছনে তাকিয়েছিল।
আম্মা প্রতিবছর একটা বিরক্তিকর কাজ করতো, সেটা হলো ঘটা করে বুড়ো বয়সে আমার জন্মদিনের অনুষ্ঠান। এবছরও সেটা হলো। ঘরভর্তি মোস্টলী বাচ্চা কাচ্চাদের মধ্যে একগাদা মোমবাতি নিয়ে আমার কেক। একটা ইচড়ে পাকা ছেলে মোম গুনে আমার বয়স চিতকার করে বলে দিচ্ছে। কেক টেক কেটে নিজের রুমে ঢুকবো, দরজায় নক পড়লো। দরজা খুলে দেখি তিথী আর তার মা, ওর হাতে ইয়া বড় একটা ফুলের তোড়া। তিথীকে দেখে একটু লজ্জায় মুড়ে গেলাম। টুকটাক কথা বলে রুমে চলে এলাম। মেয়েটা সুন্দর হয়েছে আরো, হয়তো পড়াশোনার চাপ নেই চেহারার যত্ন করছে।
রুমের দরজায় টোকা শুনে বললাম
- খোলাই আছে
দরজা ঠেলে তিথী ঢুকলো। হাতে সেই ফুলের তোড়া।
- এটা মা দিয়েছে তোমাকে
তারপর দরজাটা চেপে দিয়ে ও দরজায় হেলান দিয়ে বললো, আর আমি তোমার জন্য এনেছি এই দুটো
আমি ঢোক গিলে বললাম, মানে?
- এই যে এই দুটো, এগুলো ধরতে পারলে নাকি তোমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে? তাহলে ধরো
আমার মুখ দিয়ে শব্দ বের হলো না। স্বপ্ন না সত্যি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি। ও বললো, সময় নেই কেউ এসে যাবে। এই বলে ও ট্যাংক টপের ওপরটা নামিয়ে ফেললো। নীচে শুধু একটা ব্রা পড়া। বললো, কাছে আসো
আমার তখন এড্রেনালীন রাশ চলছে। ঢোক গিলে হার্ট টা গলা থেকে নীচে নামানোর চেষ্টা করছি। আমি চেয়ার থেকে উঠে ওর সামনে গেলাম। খুব দ্রুত বের করার চেষ্টা করছি কি দিয়ে শুরু করা উচিত। তারপর ওর কাছে গিয়ে কপালে একটা চুমু দিলাম। ও বললো, এগুলো ধরো, অনেকদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি, না ধরলে মাইন্ড করবো।
আমি দু হাত দিয়ে দুটো দুধ ব্রার ওপর দিয়ে চাপ দিলাম। দুধগুলো বেশ বড়। যারা ১৮/১৯ বছরের মেয়েদের বড় দুধ ধরেছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন, বয়স্ক বা বাচ্চা হওয়া মহিলাদের বড় দুধের চেয়ে এগুলো আলাদা। তিথী বললো, আচ্ছা এটা তুলে দেই। বলে সে ব্রা টা তুলে দুধগুলোকে মুক্ত করে দিল। অর্ধ গোলাকৃতি ক্রিকেট বলের মত দুটো দুধ গায়ের সাথে লেগে আছে। মোটা মোটা দুটো বোটার মাথায় ফুটে থাকা ছিদ্র দেখতে পাচ্ছি। বোটার গোড়াতে লোমকুপগুলো ফুলে আছে। আমি বললাম, মুখ লাগাবো?
- উহু। শুধু হাত দিয়ে ধরো।
আমি দু হাত দিয়ে আস্তে করে ধরলাম, দুধগুলো আমার হাতের মুঠোর চেয়ে বড়, এক দুধ ধরতে দু হাত লাগবে। এত নরম যেন ভেতরটা মনে হয় তুলো দিয়ে ভরে রাখা। তিথী চোখ বুজে আছে। পালা করে দুধগুলো দলা মোচড়া করছি, বোটাগুলোতে হাতের তালু ঘষছি, তিথী বললো, আচ্ছা ঠিক আছে মুখ দাও
আমি অনুমতি পেয়ে একটা বোটা মুখে দিলাম। শিশু হয়ে যেতে মন চাইছে। দুই ঠোট দিয়ে চেপে ধরে অল্প করে চুষে দিচ্ছি, তিথী মুখ দিয়ে হাল্কা আআহ, উউফ শব্দ করলো। ভালোমতো খেয়েছি কি খাইনি, আম্মা বাইরে থেকে ডাক দিল, তানিম বাইরে আয়, ফটো তোলার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
তিথী তাড়াতাড়ি চোখ মেলে তাকাল। ব্রা পড়ে জামাটা ঠিক করে একটু হেসে নিয়ে দ্রুত আমার নাকে একটা চুমু দিল। তারপর বললো, আহ, আবার লিপস্টিক লেগে গেল, দাও মুছে দেই।
মনে করে সেদিন তিথীরা যাওয়ার আগে সেল ফোন নাম্বার বিনিময় করে নিলাম। রাতে অডিও ভিজুয়াল সেশন চলবে, নির্বাক যুগ থেকে সবাক যুগে ঢুকতে যাচ্ছি।

কাল রাতে স্যারের দেয়া অ্যাসাইন্মেন্টা কমপ্লিটকরতে গিয়ে ঘুমাতে অনেক রাত হয়ে গেল তাইঘুম থেকে উঠতেও দেরীহয়ে গেল। ঝটপট ফ্রেশহয়ে নাকে মুখে কোনমতে কিছু গুঁজে শিহাব চলেআসল ভার্সিটিতে।সাইকোলজির ক্লাস রুমেরসামনেই নিতুর সাথে দেখা। নিতু তার বেস্টফ্রেন্ড। একই সাথে পড়ে ওরা।
‘কিরে কি কি হইসে তোর?? কাল রাতে কতবারকল দিলাম ধরলি না ক্যান??’
‘
ধুর! আর বলিস না! ঐ যে স্যারের অ্যাসাইন্মেন্টা শেষ করতে গিয়ে দুনিয়ারকোন খবরই ছিল না’
‘এত পড়া নিয়ে থাকিস ক্যান। একটু সময় দুনিয়ারে দে। নয়ত পরে দুনিয়াতোকে সময় দিবে না’
‘তাও বলেছিস বেশ। চল চল ক্লাসে যাই, দেরী হয়ে যাচ্ছে’
ক্লাসে গিয়ে দেখল যে স্যারের জন্য রাতের ঘুম হারাম করল সেই স্যারইআসেননি আজ।
‘যাহ বাবা! স্যারইতো আসেনি শিহাব। বলত এখন কি করি??’


‘তাই তো দেখছি , স্যারতো নাই। চল গিয়ে লাইব্রেরীতে বসি’
দু’জনে মিলে কথার ফুলঝুরি ফোটাতে ফোটাতে পাঁচতলাতে উঠতে লাগল।পাঁচতলার একেবারে শেষমাথায় লাইব্রেরী।
“কিরে শিহাব এই শীতের মাঝে তুই জ্যাকেট-ট্যাকেট ছাড়া এতো পাতলাএকটা শার্ট গায়ে দিয়ে আছিস ক্যান?’
‘আরে তাইতো।তাড়াহুড়ো করে আসতে গিয়ে ভুলে গেছি। তাইতো বলি এতঠান্ডা লাগে ক্যান’
“গাধা একটা। আন্টি ঠিকই বলে তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না পড়ালেখা ছাড়া’
লাইব্রেরীর এক কোনে তারা বসল।এমনিতেই পাঁচতলাতে অনেক ঠান্ডা তারউপর লাইব্রেরীতে মনে হয় যেন আর বেশি ঠান্ডা।শিহাব কাঁপা কাঁপি বন্ধকরার জন্য রীতিমত যুদ্ধ শুরু করে দিল।
‘শিহাব তোরতো অনেক শীত লাগতেসেরে। আয় আমারা আমার চাদরটাশেয়ার করি’
‘আরে লাগবেনা। কই আর শীত!’
‘কিরে লজ্জা পেলি নাকি? আরে আমারা ফ্রেন্ড না!সমস্যা নেই। আয় শেয়ারকরি। নয়তো পরে ঠান্ডার জন্য তোর সাইনাসের প্রবলেমটা আবার বেড়েযাবে’নিতু আর শিহাবের জবাবের অপেক্ষা করলোনা। চাদরটা মেলেশিহাবকে নিয়ে ডুকে গেল তার ভেতর।
শিহাব পিচ্চিকাল থেকেই লাজুক টাইপের ছেলে।নিতু তার এত ভাল ফ্রেন্ডকিন্তু  নিতুর সাথেও তার মাঝেমাঝে সাইনেস কাজ করে।এই যেমন এখননিতুর সাথে একই চাদরের নিচে বসতে তার লজ্জা লাগছে।চুপচাপ বসে আছেও। নিতু অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে। কথা বলতে বলতেই নিতু আরো ক্লোজহয়ে বসল।একফাঁকে শিহাবের বাহু জড়িয়ে বসল নিতু। নিতু কাল তারকাজিনের বার্থ ডে তে কি কি মজা করেছে তার ফিরিস্তি দিচ্ছে। হঠাত নিতুএকটূ সামনে ঝুঁকতেই শিহাবের হাত নিতুর বুকের সাথে বেশ ভাল ভাবেইঘষাঁ খেল।বলা যায় শিহাব যেন ২৪০ ভোল্টেজের শক খেল।নিতুও যেন এক্তুথমকে গেল। তারপর নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে আবার শুরু করল তার কথাট্রেন।শিহাব যতই লাজুক হক না কেন সেত একজন পুরুষ মানুষই। রাতেপর্ন দেখে আর সবার মত সেও কম বেশি মাস্টারবেট করে।নিতুর বুকেরস্পর্শ তার ভেতরের সেই আদিম বাসনাকে উষ্কে দেয়।আবার একটু স্পর্শপাবার জন্য তার মন হাহাকার করে উঠে।তার মনের ভেতর শুরু হয়লাজুকতা আর আদিমতার যুদ্ধ।বেশিক্ষণ লাগে না খানিক বাদেই আদিমতাযুদ্ধে জয় লাভ করে।শিহাব এবার ভয়ে ভয়ে আস্তে করে তার হাতটা নিতুরবুকে লাগায়।হার্টটা বুকের মাঝে চরম লাফালাফি করছে তার।ভয় পাচ্ছে পাছেনিতু তাকে কিছু বলে।কিন্তু না নিতু কিছুই বলল না। সে তার মত কথা বলেইযাচ্ছে। হয়ত নিতু কিছুই বুঝতে পারে নি। সাহস একটু বাড়ে শিহাবের।আস্তেআস্তে ওর নরম বুকের উপর হাত ঘসতে থাকে সে।আর প্যান্টের মাঝে বড়হতে থাকে তার ধন বাবাজী।এই ভাবে বেশ কিছুক্ষ্ণ যাবার পর নিতু হঠাতখপ করে প্যান্টের উপরেই তার ধন খামচে ধরে। মুখে দুষ্টু হাসি ফুটিয়ে কানেরকাছে মুখ নিয়ে বলে ‘আন্টিকে বলতে হবে তার ছেলে পড়ালেখা ছাড়াও আরএকটা জিনিস পারে’ কথাটা বলেই ও শিহাবের কানে ছোট্ট একতা চুমু খেয়েদৌড়ে পালিয়ে গেল।একদম সোজা বাসায়। আর শিহাব মূর্তি হয়ে বসে রইললাইব্রেরীতে।

দুই

সেদিন রাতে শিহাব কোনমতে রাতের খাবারটা খেয়েই শুয়ে পড়ল। শুয়ে শুয়েচিন্তা করতে লাগলো সকালের ঘটনাটা।মনেমনে কিছুটা অনুতপ্ত।নিতুর সাথেএমন করাটা তার ঠিক হয়নি তার।এইসব হাবিজাবি চিন্তা করার মাঝখানেইতার সেল ফোনে বেজে উঠল।স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করছে নিতুর নাম।আল্লাহইজানে নিতু কি বলবে তাকে। ধরবে কি ধরবে না এমন দোটানার মাঝেইরিসিভ করল কলটা।

“কি রে তোর ফোন ধরতে এত টাইম লাগে ক্যান?”

‘না মানে টিভির রুমে ছিলাম’

‘খালি টিভিই দেখবি নাকি আরো কিছু করবি??’

‘আরো কিছু মানে?’

‘মানে কিছু না। শোন কাল সকালে আমার বাসাতে আয় না একটূ অইঅ্যাসাইন্মেন্টা নিয়ে তোরটা কপি করব’

‘কয়টায়??’

দশটার দিকে আয়।

নিতুকে কাল আসবে বলে লাইনটা কেটে দিল শিহাব।অ্যাসাইন্মেন্টইতোনাকি নিতুর মনে অন্য কিছু আছে।দেখা যাক কাল কি হয়।

পরদিন সকালে নিতুদের বাসাতে কল বেল চাপবার সাথে সাথেই নিতু দরজাখুলে দিল। নী্ল টপ,লাল স্কার্ট আর খোলা চুলে তাকে বেশ কিউট লাগছিল।নিতু শিহাবকে সোজা তার বেড রুমে নিয়ে গেল।

‘কি রে তোর আব্বু-আম্মু কই??’

‘তারাতো কাল রাতের ট্রানে সিলেট গেল। তুই নাস্তা করেছিস??’

‘হুম করেছি। নে এই হল তোর অ্যাসাইন্মেন্ট।।

‘ও থ্যাংকস। দাঁড়া আগে কফি করে আনি’

নিতু কিচেনে চলে গেল। একতু পরেই নিতু ডাক দিল ‘অই শিহাব একা একাঐ রমে কি করিস কিচেনে আয়’

‘কিরে কিচেনে ডাকলি কেন?’

‘তুই জানি কয় স্পুন সুগার নিস?’

‘দুই স্পুন’

নিতু ঝট করে শিহাবকে কাছে টেনে নিল। তারপর তার টসটসে ঠোঁট দুটোনামিয়ে আনলো শিহাবের ঠোঁটে।গভীরভাবে চুমু খেল শিহাবকে।বলল ‘এইবার বল কয় স্পুন দিব’

শিহাব নিজেকে সামলে নিতে নিতে বলল

তোর ঠোঁট যা মিস্টি সুগার না দিলেও চলবে’

‘এইতো গুড বয়’

নিতু শিহাবের দিকে পিছন ফিরে কফি বানাতে লাগল। শিহাব দেখতে লাগলনিতুকে।নিতুর পাছাটা বেশ ভরাট।খুবই সেক্সী।তার উপর তার খোলা চুলশিহাবকে চুম্বকের মত টানছে।শিহাব আর নিজেকে আটকাতে পারলনা।পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল নিতুকে।মুখ গুঁজে দিল নিতুর ঘাড়ে। চুমু আর লাভবাইটসে ভরিয়ে দিল নিতুর ঘাড়।হাত দুটো চলে গেল নিতুর কটিতে।চুমুরবেগ বাড়ার সাথে সাথে হাত দুটো উঠতে থাকে নিতুর স্তনে।নিতুর পালকসমনরম স্তন শিহাবের স্পর্শে আস্তে আস্তে শক্ত হতে থাকে। সেই সাথে শক্ত হতেথাকে শিহাবের শিশ্ন।নিতু ঘুরে গিয়ে শিহাবের মুখোমুখি হলো।সাথে সাথেশিহাব তার ঠোঁট নামিয়ে আনলো নিতুর ঠোঁটে।নিতুর ঠোঁট চুষতে চুষতেইশিহাব নিতুর জিহ্বা নিজের মুখে নিয়ে আসল। তারপর তাতে নিজের ঠোঁটেরআলতো চাপে আদর করতে থাকল।কিস করতে করতেই ও নিতুর টপ এরমাঝে হাত ডুকিয়ে দিল।কিস আর স্তনে হাতের চাপে নিতুকে অস্থির করেতুলল শিহাব।এবার নিতুর টপ খুলে ফেলল শিহাব।নীল ব্রা তে নিতুকে দেখেশিহাবের মনে হল সে যেনে স্বর্গের কন দেবীকে দেখছে।সে নিতুকে কোলেতুলে বেড রুমে নিয়ে আসল। বেড এ নিতুকে শুইয়েই আবার ঝাঁপিয়ে পরলতার উপর।ব্রা এর উপরেই সে নিতুর স্তন ছোট ছোট কীসে ভরিয়ে দিতেলাগল। বাম স্তনের নিপলের উপর ও ছোট্ট একটা কামড় দিল। আর বাম হাতদিয়ে আর একটা স্তন চাপতে লাগল।নিতু শিহাবের আদর গুলোতে ক্ষণেক্ষণেশিহরিত হচ্ছে।একটু পরপর সে তার শরীর সাপের মত মোচড়াচ্ছে।শিহাবতার মুখ নিতুর পেটে নামিয়ে আনল।কীস করতে করতে স্কার্টের ফিতার কাছেআসল। তার পর তান দিয়ে নিমিয়ে দিল স্কার্টটা।নীতু প্যান্টিও পরেছে ম্যাচিংকরে নীল। শিহাব এই বার নজর দিল নিতুর নাভির দিকে। প্রথমে নাভিরচারিদিকে বৃত্তাকারে কিস করলো। তারপর নাভিতে জিহ্বা নামিয়ে দিল। যেনজিহ্বা দিয়ে শিহাব আজ নিতুর নাভির গভীরতা জানতে চায়।এতোটা টিজিংনিতু নিতে পারল না।শরীর একটু উঁচু করে মুখ দিয়ে একটা সুখের আর্তনাদছেড়ে তার ফার্স্ট অরগাজম কমপ্লিট করল নিতু।তারপর শিহাবকে নিজেরবুকে টেনে তুলল। আবারো নিতুর ঠোঁট জোড়া আশ্রয় পেল শিহাবের ঠোঁটে।কিস করতে করতেই নিতু শিহাবের শার্ট খুলে ফেলে তার উপর চড়ে বসল।নিজেই নিজের ব্রা খুলে ফেলল নিতু। শিহাবের চওখের সামনে এখন নিতুরনগ্ন স্তন।টাইট মাঝারি সাইজের স্তনে গোলাপী কালার এর নিপল। নিতুশিহাবের গলায়, বুকে কিস করতে করতে নিচে নেমে এল। এর পর কোনসময় নষ্টনা করে জিন্স আর আন্ডারওয়্যার খুলে উন্মুক্ত করল শিহাবের ফুলেফেঁপে ওঠা শিশ্নটা। ওর ডগাতে কিছু কাম রস লেগেছিল। নিতু জিহ্বার আগাদিয়ে অইটা চেটে নিল। তারপর মুখের ভিতর নিয়ে চুষতে লাগল শিশ্নটা।নিতুর নরম ঠোটের স্পর্শ শিশ্নে পেয়ে শিহাব যেন পাগল হয়ে যেতে লাগল।আর নিতুও ললিপপের মত করে চুষে যেতে লাগল শিশ্নটা।শিহাব আরথাকতে না পেরে নিতু কে আবার বেডে শুইয়ে দিল। একটানে প্যান্টিটা খুলেফেলল।ক্লিন সেইভড পুসি।শিহাব আর দেরি করলনা। মুখ নামিয়ে আনলনিতুর ভোদায়। জিহ্ব দিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগল নিতুর জেগে ওঠাক্লিটটা। মাঝে মাঝে হাল্কা কামড়।শিহাব  চোষার সাথে সাথেই নিতুরভোদাতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিম। ক্লিটে জিহ্ব এর আদরের সাথে অংগুলি করতেলাগল নিতুর ভোদায়।

‘শিহাব আর কত খেলবি আমায় নিয়ে! আর যে পারছিনা। পুরো বডি তেআগুন জ্বলছে।প্লীজ আগুনটা নিভা’

শিহাব নিতুর কথা শুনে ভোদা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার শিশ্নও মনে হয় ফেটেযায়যায় কন্ডিশান।নিতুর ভোদার মুখে নিজের শিশ্নটা সেট করে আস্তে আস্তেচাপ দিয়ে  অর্ধেকটা ঢুকিয়ে দিল সে।নিয়ুর মুখ থেকে আবারও সুখেরআর্তনাদ বের হল। শিহাব আস্তে আস্তে পুরো শিশ্নটাই নিতুর মাঝে ঢুকিয়েদিল।নিতুর ভোদাটা বেশ টাইট আর উষ্ণ।নিতুর ভোদার এই কন্ডিশানশিহাবকে আরো হট করে তুলল। সে আরো জোরে থাপানো শুরু করলনিতুকে।এই দিকে নিতুও উত্তেজনার শিখরে

‘আর একটু জোরে দেনা শিহাব।আর একটু ভেতরে আয়…হুম এইভাবে…আআহ…’

‘শিহাব থামিস না। আমারহ হবে এখনি…’

বলতে বলতেই নিতু আবার অরগাজম কমপ্লিট করল। শিহাব ও আরবেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারল না। আর কিছুক্ষণ থাপানোর পরেই নিতুর গুদতার বীর্যে ভরে দিল।

‘স্যারের অ্যাসাইন্মেন্টাতো আমারা অনেক মজা করেই শেষ করলাম তাইনারে শিহাব!!”

‘তাই !! আয় অ্যাসাইন্মেন্টার সেকেন্ড পার্টটাও কমপ্লিট করে ফেলি’

এই বলে শিহাব আবার ঝাঁপিয়ে পরল নিতুর উপর।

বান্ধবি কে চোদার গল্প


কাল রাতে স্যারের দেয়া অ্যাসাইন্মেন্টা কমপ্লিটকরতে গিয়ে ঘুমাতে অনেক রাত হয়ে গেল তাইঘুম থেকে উঠতেও দেরীহয়ে গেল। ঝটপট ফ্রেশহয়ে নাকে মুখে কোনমতে কিছু গুঁজে শিহাব চলেআসল ভার্সিটিতে।সাইকোলজির ক্লাস রুমেরসামনেই নিতুর সাথে দেখা। নিতু তার বেস্টফ্রেন্ড। একই সাথে পড়ে ওরা।
‘কিরে কি কি হইসে তোর?? কাল রাতে কতবারকল দিলাম ধরলি না ক্যান??’
‘
ধুর! আর বলিস না! ঐ যে স্যারের অ্যাসাইন্মেন্টা শেষ করতে গিয়ে দুনিয়ারকোন খবরই ছিল না’
‘এত পড়া নিয়ে থাকিস ক্যান। একটু সময় দুনিয়ারে দে। নয়ত পরে দুনিয়াতোকে সময় দিবে না’
‘তাও বলেছিস বেশ। চল চল ক্লাসে যাই, দেরী হয়ে যাচ্ছে’
ক্লাসে গিয়ে দেখল যে স্যারের জন্য রাতের ঘুম হারাম করল সেই স্যারইআসেননি আজ।
‘যাহ বাবা! স্যারইতো আসেনি শিহাব। বলত এখন কি করি??’


‘তাই তো দেখছি , স্যারতো নাই। চল গিয়ে লাইব্রেরীতে বসি’
দু’জনে মিলে কথার ফুলঝুরি ফোটাতে ফোটাতে পাঁচতলাতে উঠতে লাগল।পাঁচতলার একেবারে শেষমাথায় লাইব্রেরী।
“কিরে শিহাব এই শীতের মাঝে তুই জ্যাকেট-ট্যাকেট ছাড়া এতো পাতলাএকটা শার্ট গায়ে দিয়ে আছিস ক্যান?’
‘আরে তাইতো।তাড়াহুড়ো করে আসতে গিয়ে ভুলে গেছি। তাইতো বলি এতঠান্ডা লাগে ক্যান’
“গাধা একটা। আন্টি ঠিকই বলে তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না পড়ালেখা ছাড়া’
লাইব্রেরীর এক কোনে তারা বসল।এমনিতেই পাঁচতলাতে অনেক ঠান্ডা তারউপর লাইব্রেরীতে মনে হয় যেন আর বেশি ঠান্ডা।শিহাব কাঁপা কাঁপি বন্ধকরার জন্য রীতিমত যুদ্ধ শুরু করে দিল।
‘শিহাব তোরতো অনেক শীত লাগতেসেরে। আয় আমারা আমার চাদরটাশেয়ার করি’
‘আরে লাগবেনা। কই আর শীত!’
‘কিরে লজ্জা পেলি নাকি? আরে আমারা ফ্রেন্ড না!সমস্যা নেই। আয় শেয়ারকরি। নয়তো পরে ঠান্ডার জন্য তোর সাইনাসের প্রবলেমটা আবার বেড়েযাবে’নিতু আর শিহাবের জবাবের অপেক্ষা করলোনা। চাদরটা মেলেশিহাবকে নিয়ে ডুকে গেল তার ভেতর।
শিহাব পিচ্চিকাল থেকেই লাজুক টাইপের ছেলে।নিতু তার এত ভাল ফ্রেন্ডকিন্তু  নিতুর সাথেও তার মাঝেমাঝে সাইনেস কাজ করে।এই যেমন এখননিতুর সাথে একই চাদরের নিচে বসতে তার লজ্জা লাগছে।চুপচাপ বসে আছেও। নিতু অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে। কথা বলতে বলতেই নিতু আরো ক্লোজহয়ে বসল।একফাঁকে শিহাবের বাহু জড়িয়ে বসল নিতু। নিতু কাল তারকাজিনের বার্থ ডে তে কি কি মজা করেছে তার ফিরিস্তি দিচ্ছে। হঠাত নিতুএকটূ সামনে ঝুঁকতেই শিহাবের হাত নিতুর বুকের সাথে বেশ ভাল ভাবেইঘষাঁ খেল।বলা যায় শিহাব যেন ২৪০ ভোল্টেজের শক খেল।নিতুও যেন এক্তুথমকে গেল। তারপর নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে আবার শুরু করল তার কথাট্রেন।শিহাব যতই লাজুক হক না কেন সেত একজন পুরুষ মানুষই। রাতেপর্ন দেখে আর সবার মত সেও কম বেশি মাস্টারবেট করে।নিতুর বুকেরস্পর্শ তার ভেতরের সেই আদিম বাসনাকে উষ্কে দেয়।আবার একটু স্পর্শপাবার জন্য তার মন হাহাকার করে উঠে।তার মনের ভেতর শুরু হয়লাজুকতা আর আদিমতার যুদ্ধ।বেশিক্ষণ লাগে না খানিক বাদেই আদিমতাযুদ্ধে জয় লাভ করে।শিহাব এবার ভয়ে ভয়ে আস্তে করে তার হাতটা নিতুরবুকে লাগায়।হার্টটা বুকের মাঝে চরম লাফালাফি করছে তার।ভয় পাচ্ছে পাছেনিতু তাকে কিছু বলে।কিন্তু না নিতু কিছুই বলল না। সে তার মত কথা বলেইযাচ্ছে। হয়ত নিতু কিছুই বুঝতে পারে নি। সাহস একটু বাড়ে শিহাবের।আস্তেআস্তে ওর নরম বুকের উপর হাত ঘসতে থাকে সে।আর প্যান্টের মাঝে বড়হতে থাকে তার ধন বাবাজী।এই ভাবে বেশ কিছুক্ষ্ণ যাবার পর নিতু হঠাতখপ করে প্যান্টের উপরেই তার ধন খামচে ধরে। মুখে দুষ্টু হাসি ফুটিয়ে কানেরকাছে মুখ নিয়ে বলে ‘আন্টিকে বলতে হবে তার ছেলে পড়ালেখা ছাড়াও আরএকটা জিনিস পারে’ কথাটা বলেই ও শিহাবের কানে ছোট্ট একতা চুমু খেয়েদৌড়ে পালিয়ে গেল।একদম সোজা বাসায়। আর শিহাব মূর্তি হয়ে বসে রইললাইব্রেরীতে।

দুই

সেদিন রাতে শিহাব কোনমতে রাতের খাবারটা খেয়েই শুয়ে পড়ল। শুয়ে শুয়েচিন্তা করতে লাগলো সকালের ঘটনাটা।মনেমনে কিছুটা অনুতপ্ত।নিতুর সাথেএমন করাটা তার ঠিক হয়নি তার।এইসব হাবিজাবি চিন্তা করার মাঝখানেইতার সেল ফোনে বেজে উঠল।স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করছে নিতুর নাম।আল্লাহইজানে নিতু কি বলবে তাকে। ধরবে কি ধরবে না এমন দোটানার মাঝেইরিসিভ করল কলটা।

“কি রে তোর ফোন ধরতে এত টাইম লাগে ক্যান?”

‘না মানে টিভির রুমে ছিলাম’

‘খালি টিভিই দেখবি নাকি আরো কিছু করবি??’

‘আরো কিছু মানে?’

‘মানে কিছু না। শোন কাল সকালে আমার বাসাতে আয় না একটূ অইঅ্যাসাইন্মেন্টা নিয়ে তোরটা কপি করব’

‘কয়টায়??’

দশটার দিকে আয়।

নিতুকে কাল আসবে বলে লাইনটা কেটে দিল শিহাব।অ্যাসাইন্মেন্টইতোনাকি নিতুর মনে অন্য কিছু আছে।দেখা যাক কাল কি হয়।

পরদিন সকালে নিতুদের বাসাতে কল বেল চাপবার সাথে সাথেই নিতু দরজাখুলে দিল। নী্ল টপ,লাল স্কার্ট আর খোলা চুলে তাকে বেশ কিউট লাগছিল।নিতু শিহাবকে সোজা তার বেড রুমে নিয়ে গেল।

‘কি রে তোর আব্বু-আম্মু কই??’

‘তারাতো কাল রাতের ট্রানে সিলেট গেল। তুই নাস্তা করেছিস??’

‘হুম করেছি। নে এই হল তোর অ্যাসাইন্মেন্ট।।

‘ও থ্যাংকস। দাঁড়া আগে কফি করে আনি’

নিতু কিচেনে চলে গেল। একতু পরেই নিতু ডাক দিল ‘অই শিহাব একা একাঐ রমে কি করিস কিচেনে আয়’

‘কিরে কিচেনে ডাকলি কেন?’

‘তুই জানি কয় স্পুন সুগার নিস?’

‘দুই স্পুন’

নিতু ঝট করে শিহাবকে কাছে টেনে নিল। তারপর তার টসটসে ঠোঁট দুটোনামিয়ে আনলো শিহাবের ঠোঁটে।গভীরভাবে চুমু খেল শিহাবকে।বলল ‘এইবার বল কয় স্পুন দিব’

শিহাব নিজেকে সামলে নিতে নিতে বলল

তোর ঠোঁট যা মিস্টি সুগার না দিলেও চলবে’

‘এইতো গুড বয়’

নিতু শিহাবের দিকে পিছন ফিরে কফি বানাতে লাগল। শিহাব দেখতে লাগলনিতুকে।নিতুর পাছাটা বেশ ভরাট।খুবই সেক্সী।তার উপর তার খোলা চুলশিহাবকে চুম্বকের মত টানছে।শিহাব আর নিজেকে আটকাতে পারলনা।পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল নিতুকে।মুখ গুঁজে দিল নিতুর ঘাড়ে। চুমু আর লাভবাইটসে ভরিয়ে দিল নিতুর ঘাড়।হাত দুটো চলে গেল নিতুর কটিতে।চুমুরবেগ বাড়ার সাথে সাথে হাত দুটো উঠতে থাকে নিতুর স্তনে।নিতুর পালকসমনরম স্তন শিহাবের স্পর্শে আস্তে আস্তে শক্ত হতে থাকে। সেই সাথে শক্ত হতেথাকে শিহাবের শিশ্ন।নিতু ঘুরে গিয়ে শিহাবের মুখোমুখি হলো।সাথে সাথেশিহাব তার ঠোঁট নামিয়ে আনলো নিতুর ঠোঁটে।নিতুর ঠোঁট চুষতে চুষতেইশিহাব নিতুর জিহ্বা নিজের মুখে নিয়ে আসল। তারপর তাতে নিজের ঠোঁটেরআলতো চাপে আদর করতে থাকল।কিস করতে করতেই ও নিতুর টপ এরমাঝে হাত ডুকিয়ে দিল।কিস আর স্তনে হাতের চাপে নিতুকে অস্থির করেতুলল শিহাব।এবার নিতুর টপ খুলে ফেলল শিহাব।নীল ব্রা তে নিতুকে দেখেশিহাবের মনে হল সে যেনে স্বর্গের কন দেবীকে দেখছে।সে নিতুকে কোলেতুলে বেড রুমে নিয়ে আসল। বেড এ নিতুকে শুইয়েই আবার ঝাঁপিয়ে পরলতার উপর।ব্রা এর উপরেই সে নিতুর স্তন ছোট ছোট কীসে ভরিয়ে দিতেলাগল। বাম স্তনের নিপলের উপর ও ছোট্ট একটা কামড় দিল। আর বাম হাতদিয়ে আর একটা স্তন চাপতে লাগল।নিতু শিহাবের আদর গুলোতে ক্ষণেক্ষণেশিহরিত হচ্ছে।একটু পরপর সে তার শরীর সাপের মত মোচড়াচ্ছে।শিহাবতার মুখ নিতুর পেটে নামিয়ে আনল।কীস করতে করতে স্কার্টের ফিতার কাছেআসল। তার পর তান দিয়ে নিমিয়ে দিল স্কার্টটা।নীতু প্যান্টিও পরেছে ম্যাচিংকরে নীল। শিহাব এই বার নজর দিল নিতুর নাভির দিকে। প্রথমে নাভিরচারিদিকে বৃত্তাকারে কিস করলো। তারপর নাভিতে জিহ্বা নামিয়ে দিল। যেনজিহ্বা দিয়ে শিহাব আজ নিতুর নাভির গভীরতা জানতে চায়।এতোটা টিজিংনিতু নিতে পারল না।শরীর একটু উঁচু করে মুখ দিয়ে একটা সুখের আর্তনাদছেড়ে তার ফার্স্ট অরগাজম কমপ্লিট করল নিতু।তারপর শিহাবকে নিজেরবুকে টেনে তুলল। আবারো নিতুর ঠোঁট জোড়া আশ্রয় পেল শিহাবের ঠোঁটে।কিস করতে করতেই নিতু শিহাবের শার্ট খুলে ফেলে তার উপর চড়ে বসল।নিজেই নিজের ব্রা খুলে ফেলল নিতু। শিহাবের চওখের সামনে এখন নিতুরনগ্ন স্তন।টাইট মাঝারি সাইজের স্তনে গোলাপী কালার এর নিপল। নিতুশিহাবের গলায়, বুকে কিস করতে করতে নিচে নেমে এল। এর পর কোনসময় নষ্টনা করে জিন্স আর আন্ডারওয়্যার খুলে উন্মুক্ত করল শিহাবের ফুলেফেঁপে ওঠা শিশ্নটা। ওর ডগাতে কিছু কাম রস লেগেছিল। নিতু জিহ্বার আগাদিয়ে অইটা চেটে নিল। তারপর মুখের ভিতর নিয়ে চুষতে লাগল শিশ্নটা।নিতুর নরম ঠোটের স্পর্শ শিশ্নে পেয়ে শিহাব যেন পাগল হয়ে যেতে লাগল।আর নিতুও ললিপপের মত করে চুষে যেতে লাগল শিশ্নটা।শিহাব আরথাকতে না পেরে নিতু কে আবার বেডে শুইয়ে দিল। একটানে প্যান্টিটা খুলেফেলল।ক্লিন সেইভড পুসি।শিহাব আর দেরি করলনা। মুখ নামিয়ে আনলনিতুর ভোদায়। জিহ্ব দিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগল নিতুর জেগে ওঠাক্লিটটা। মাঝে মাঝে হাল্কা কামড়।শিহাব  চোষার সাথে সাথেই নিতুরভোদাতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিম। ক্লিটে জিহ্ব এর আদরের সাথে অংগুলি করতেলাগল নিতুর ভোদায়।

‘শিহাব আর কত খেলবি আমায় নিয়ে! আর যে পারছিনা। পুরো বডি তেআগুন জ্বলছে।প্লীজ আগুনটা নিভা’

শিহাব নিতুর কথা শুনে ভোদা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার শিশ্নও মনে হয় ফেটেযায়যায় কন্ডিশান।নিতুর ভোদার মুখে নিজের শিশ্নটা সেট করে আস্তে আস্তেচাপ দিয়ে  অর্ধেকটা ঢুকিয়ে দিল সে।নিয়ুর মুখ থেকে আবারও সুখেরআর্তনাদ বের হল। শিহাব আস্তে আস্তে পুরো শিশ্নটাই নিতুর মাঝে ঢুকিয়েদিল।নিতুর ভোদাটা বেশ টাইট আর উষ্ণ।নিতুর ভোদার এই কন্ডিশানশিহাবকে আরো হট করে তুলল। সে আরো জোরে থাপানো শুরু করলনিতুকে।এই দিকে নিতুও উত্তেজনার শিখরে

‘আর একটু জোরে দেনা শিহাব।আর একটু ভেতরে আয়…হুম এইভাবে…আআহ…’

‘শিহাব থামিস না। আমারহ হবে এখনি…’

বলতে বলতেই নিতু আবার অরগাজম কমপ্লিট করল। শিহাব ও আরবেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারল না। আর কিছুক্ষণ থাপানোর পরেই নিতুর গুদতার বীর্যে ভরে দিল।

‘স্যারের অ্যাসাইন্মেন্টাতো আমারা অনেক মজা করেই শেষ করলাম তাইনারে শিহাব!!”

‘তাই !! আয় অ্যাসাইন্মেন্টার সেকেন্ড পার্টটাও কমপ্লিট করে ফেলি’

এই বলে শিহাব আবার ঝাঁপিয়ে পরল নিতুর উপর।